টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা, একাংশের প্রত্যাখ্যান

আহমেদ আযম খানকে আহ্বায়ক ও মাহমুদুল হককে সদস্যসচিব করে টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছে। গত বুধবার রাতে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী ৪৬ সদস্যবিশিষ্ট এ কমিটির অনুমোদন দেন। এদিকে কমিটিতে স্থান ও কাঙ্ক্ষিত পদ না পাওয়ায় ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। বিক্ষুব্ধ নেতা–কর্মীরা সদ্য বিদায়ী ভারপ্রাপ্ত সভাপতি খন্দকার ছাইদুল হকের নেতৃত্বে সংবাদ সম্মেলন করে এ কমিটি প্রত্যাখ্যান করেছেন। বুধবার ঘোষিত আহ্বায়ক কমিটির আহ্বায়ক আহমেদ আযম খান কেন্দ্রীয় বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান এবং চেয়ারপারসনের সাবেক উপদেষ্টা। সদস্যসচিব মাহমুদুল হক মজলুম জননেতা মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর নাতি। মাহমুদুল হক বিগত দুই বার দলীয় মনোনয়ন নিয়ে টাঙ্গাইল পৌরসভার মেয়র পদে নির্বাচন করেছেন। কমিটিতে পাঁচজনকে যুগ্ম আহ্বায়ক করা হয়েছে। তাঁরা হলেন হাসানুজ্জামিল শাহীন, ফরহাদ ইকবাল, কাজী শফিকুর রহমান, অমল ব্যানার্জি ও দেওয়ান সফিকুল ইসলাম। কমিটিতে ১ নম্বর সদস্য করা হয়েছে ছাত্রদলের সাবেক নেতা বেনজির আহমেদকে। সদ্য বিদায়ী কমিটির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি খন্দকার ছাইদুল হককে করা হয়েছে ৪ নম্বর সদস্য। খন্দকার ছাইদুল হকের নেতৃত্বে গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের বঙ্গবন্ধু মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলনে বিক্ষুব্ধ নেতা–কর্মীরা সদ্য ঘোষিত আহ্বায়ক কমিটি প্রত্যাখ্যান করেন। লিখিত বক্তব্যে খন্দকার সাইদুল হক দাবি করেন, আহ্বায়ক কমিটির ৮–১০ জন ছাড়া সবাই দীর্ঘদিন ধরে বিএনপির রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন না। কমিটির অধিকাংশ ব্যক্তিবর্গ সরকার দলীয় নেতা–কর্মীদের সঙ্গে সম্পর্ক রেখে ব্যবসা–বাণিজ্যসহ নানা প্রকার সুযোগ–সুবিধা ভোগ করেছেন। যেসব নেতা–কর্মী ওয়ার্ড কমিটির সদস্য হওয়ার যোগ্য নয়, তাঁদের আহ্বায়ক কমিটিতে রাখা হয়েছে। ২০১৭ সালে বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার ঘোষণা অনুযায়ী টাঙ্গাইল প্রেসক্লাব মিলনায়তনে আয়োজিত সদস্য সংগ্রহ কর্মসূচিতে হামলা করে ভাঙচুর করেছিল তাঁরা কমিটিতে স্থান পেয়েছেন। অন্যদিকে ত্যাগী নেতা–কর্মীদের মূল্যায়ন করা হয়নি। এ কমিটিকে আওয়ামী লীগের এজেন্ট দ্বারা গঠিত আহ্বায়ক কমিটি আখ্যায়িত করে তা পুর্নগঠনের দাবি জানান খন্দকার ছাইদুল হক। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাদেকুল আলম,

Comments